কুঁচকানো চামড়ার নিচে ভেসে ওঠা পাঁজরের হাড়ে
আমি দেখেছি।
দেখেছি রহিম মিয়াকে ঠ্যালাগাড়ির সাথে
টেনে নিতে জীবনের ভার।
দেখেছি আবার ঝলমলে পোশাক আর
মুখোশের হাসিমুখে ঢেকে যাওয়া তারই স্বরূপ।
তারপর,
দেখছি আমার স্বদেশ।
দিকে দিকে আলোর ঝলকানি,
দেয়ালে আঁটা সবুজের বিজ্ঞাপন আর
পরিপাটি সড়কে আঁকা বাংলাদেশের মুখোশ।
শুধু দেখার আড়ালে থেকে যায়
রাতের ফুটপাত, বস্তিতে বস্তিতে ঘুমিয়ে থাকা স্বদেশের মাঝে
রহিম মিয়ারই প্রতিচ্ছবি।
কই পাইলেন রহিম মিয়ারে? আমি তো ঢাকায় শুধু মরিচ বাতি আর নৌকাভরা ইসলামী ব্যাঙ্ক দেখি, উন্নতির এই জোয়ারে সংস্কৃতির আগুনের গোলা কিংবা শীলার মধ্যে থাইকাও আপনি খামাখাই গরীবী রূপকথা জপতাছেন।
উত্তরমুছুনভাল লেগেছে... হৃদয় ছুঁয়ে যায়...
উত্তরমুছুন