শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

ন্যূয়ে যাওয়া অবিরাম



অনেকটা ভার বয়ে নিতে হবে তোমাকে
হাঁটতে হবে অনেকটা পথ,
বৃত্তাকারে পাড়ি দিতে হবে অনেকটা সময়,
সূর্য ঘুরে যায় দিনকে ঘিরে
অবিরাম, বৈচিত্র্যহীন।
হয়ত ভালোবাসায় অভিকর্ষের টান বেশি,
মাটির কাছাকাছি নিয়ে যায় অবলীলায়।
তারচেয়ে থাক, এ ভার নাহয়
আমিই বয়ে গেলাম অনন্তকাল,
ভারে ভারে ন্যূয়ে গেলাম
মাটির আরও কাছাকাছি।

বুধবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৩

বৃষ্টির দেশ


ভেবেছিলাম বৃষ্টির দেশে যাব, হাঁটতে হবে অনেকটা পথ
পথের আনন্দ সঙ্গীতে আর সংগীতে।
তোমাকে সঙ্গী করব বলে হেঁটে গেলাম অনেকটা দূর,
একলা হাঁটার কষ্ট তুমি জাননাই, গহীন বন যেন ধূ ধূ মরু।
আমি কোথায় তৃষ্ণা মেটাই বল।
গভীর অরন্যের মতো বৃষ্টি পড়বে, নিশ্ছিদ্র বৃষ্টি।
দৃষ্টি সীমানায় শুধুই জলের আয়না।
আমরা হেঁটে যাব অবিরাম,
বৃষ্টি দেশে যেমন করে হাঁটে প্রেমিক-প্রেমিকারা।

 তারপর,
 
তারপর হাতে হাত রেখে বৃষ্টির মাঝে দেখে যাব মানুষের ছায়া,
রঙ নেই, আকার নেই, বর্ণ নেই,
মনে হবে ঐ যে কতগুলো আমরা,
সুখ নেই, দুঃখ নেই, শুধু এক অনির্বচনীয় অনুভব।
বৃষ্টির রঙ দেখেছি আমি,
এখনও দেখি, প্রতিদিন দেখে যাই,
হেঁটে যাই অবিরত, পাশাপাশি আমি আর বৃষ্টি।
তুমি বোঝনাই,
আবিরাম বৃষ্টিতে এক ফোঁটা  তৃষ্ণার জল, জলের তৃষ্ণা।

হয়তো ঈশ্বর



হয়তো একদিন ঈশ্বর আসবে আমার কাছে
হয়তো ভোরবেলা উঠে চুলোর পাড়ে গিয়ে দাঁড়াবে
বানিয়ে রাখবে পেটের যোগান।
সবাইকে ঘুমে রেখেই হয়তো ঘরকে করে নেবে
খানিক পবিত্র।
হয়তো সবার জন্য করে নেবে কিছু শুভ কামনাও
তারপর, অতি সাবধানে এসে বসবে
আমার মাথার কাছে,
বলবে ‘সকাল তো হয়ে গেল, এবার ওঠ’।
আমি অনেক কষ্টে চোখ খুলব,
ঝাপসা চোখে একবার দেখে নেব আমার ঈশ্বরকে।
তারপর আবার চোখ বন্ধ করে বলব,
‘মা, আরেকটু ঘুমাই’।